Skip to content
Home » News » দুবাই ভিসা বাংলাদেশীদের জন্য ২০২৫ – নতুন রুল ও খরচ

দুবাই ভিসা বাংলাদেশীদের জন্য ২০২৫ – নতুন রুল ও খরচ

দুবাই ভিসা বাংলাদেশ ২০২৫

বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর হাজার-হাজার মানুষ ভ্রমণ, কাজ বা অভিবাসনের উদ্দেশ্যে দুবাই বা UAE যায়।

গত কয়েক বছরে — বিশেষ করে ২০২৫ সালে — ভিসা প্রক্রিয়া, ফি, এবং নীতিমালায় কিছু পরিবর্তন এসেছে। যারা যাচ্ছেন — ভ্রমণ, ভিজিট, কাজ, বা অস্থায়ী অবস্থানের জন্য — সবারই ভালো হবে সব তথ্য জানলে।

এই আর্টিকেলে আমি চেষ্টা করেছি — বাংলাদেশীরা যেনো ভালভাবে বুঝতে পারে:

  • কোন ধরনের ভিসা আছে
  • ২০২৫-এ খরচ (ফি) কেমন
  • দরকারি কাগজ-পত্র
  • আবেদন পদ্ধতি
  • নতুন নিয়ম বা সতর্কবার্তা

এছাড়া কিছু প্র্যাক্টিক্যাল টিপস দিবো, যাতে ভিসা প্রক্রিয়া সহজ হয়।

ভিসার ধরন (Types of Visa) — আপনি কোন ধরনের ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন

UAE–তে সাধারণত নিচের ভিসার ধরনগুলো বাংলাদেশীদের জন্য প্রযোজ্য হয়:

ভিসার ধরনউদ্দেশ্য / ব্যবহার
Tourist / Visit / Short-term visaভ্রমণ, পর্যটন, বন্ধু/পরিবার দেখতে যাওয়া, সংক্ষিপ্ত সময়ের ভিজিট
Transit VisaUAE ট্রানজিট (layover) হিসেবে, কয়েক ঘণ্টা বা ১-২ দিন পাস করার জন্য — যদি শুধুই বিমান পরিবর্তন করেন
Medium-term / 60- or 90-day Visit Visaএকটু দীর্ঘ সময়ের জন্য ভিজিট — যেমন দেখা, স্বাস্থ্যসেবা, ইত্যাদি
Work / Employment Visa (Labour / Resident Visa)যারা চাকরি বা কাজের উদ্দেশ্যে যাচ্ছেন (এখানে স্পন্সর, লেবার কার্ড, ইত্যাদি প্রয়োজন হয়)
Long-term / Residence Visa / Family Visa / Student Visa / Golden-Visa (যদি প্রযোজ্য)নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে — যেমন পড়াশোনা, স্থায়ী বসবাস, পরিবার ভিজিট ইত্যাদি (যেখানে স্পন্সর বা অন্যান্য শর্ত থাকতে পারে)

বর্তমান আলোচনায় আমরা মূলত Tourist / Visit / Short-term / 60-/90-day / Work-ভিসা — যেগুলো সবচেয়ে সাধারণ।

দুবাই ভিসা বাংলাদেশ ২০২৫

২০২৫: বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা আবেদন — কি বদলেছে? (নতুন নিয়ম, আপডেট)

✅ ভিসা পদ্ধতি — অনলাইন বা এজেন্সির মাধ্যমে

  • এখন অনেক ভিসাই অনলাইন / e-Visa বা অনুমোদিত travel agency / visa service-এর মাধ্যমে আবেদন করা যায়।
  • আবেদন ফরম, প্রয়োজনীয় তথ্য, পাসপোর্ট স্ক্যান, হোটেল বা হোস্ট অ্যাড্রেস (যদি থাকে), ফ্লাইট বুকিং প্রমাণ ইত্যাদি সাবমিট করতে হয়।
  • কিছু ভিসায় (বিশেষ করে Work / Residence / কিছু Visit ভিসা) Travel Insurance ও আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণও চাইতে পারে।

💵 ভিসা ফি এবং খরচ (2025-এর আনুমানিক)

ভিসার ধরন, মেয়াদ, একবারে বা বহু-এন্ট্রি (single / multiple entry), এবং Processing Speed (normal / urgent) অনুযায়ী ভাড়া বা ফি পরিবর্তন হয়।

নিচে ২০২৫-এর তথ্যানুযায়ী কিছু প্রায়মান ফি ও খরচ দেওয়া হলো:

  • সাধারণ ৩০-দিনের একবার-এন্ট্রি (Single-Entry Tourist/Visit): USD 100–300 (বা AED প্রযোজ্যভাবে) হতে পারে, যা বাংলাদেশি টাকায় (লোকাল মুদ্রা রেট অনুযায়ী) হবে
  • ৬০-দিন বা মিড-টার্ম Visit / Tourist: ফি তুলনায় বেশি।
  • Multiple-entry বা দীর্ঘ মেয়াদি Visit Visa (যদি অনুমোদন পাওয়া যায়): ফি এবং শর্ত ভিন্ন হবে; কিছু ক্ষেত্রে refundable security deposit দেওয়া হতে পারে।
  • Transit visa (যেমন 48 ঘণ্টা / 96 ঘণ্টা): Transit এর ক্ষেত্রে সাধারণত কম খরচ হয়; তবে airline বা transit rules অনুযায়ী।

বাংলাদেশি ভিসা-সার্ভিস এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে — একজন সাধারণ পর্যটক বা ভিজিটর হিসেবে ৩০-দিন, ৬০-দিন বা একাধিক এন্ট্রি ভিসার জন্য প্রায় ১৭,৫০০ – ৩৮,০০০ টাকা খরচ হতে পারে, তবে এই খরচ নির্ভর করে এজেন্সি, সেবা চার্জ, হোটেল বা বিমানের খরচসহ।

⚠️ লক্ষ্য রাখতে হবে: উপরের ফিগারগুলো গ্যারান্টি নয় — কারণ ফি, ডিরহাম ↔ টাকা রেট, এজেন্সি চার্জ, season (সপ্তাহ, উৎসব, হাই সিজন) অনুযায়ী পার্থক্য হতে পারে।

📄 প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও শর্ত

ভিসার ধরন অনুযায়ী, নিচের কাগজপত্র সাধারণত দরকার হয়:

  • বৈধ পাসপোর্ট — যেটি কমপক্ষে ৬ মাসের জন্য মেয়াদী।
  • পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি (সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড, নির্ধারিত ফরম্যাট)।
  • যদি Visit / Tourist হয়: Flight booking confirmation, Hotel booking বা হোস্টের ঠিকানা (যদি বন্ধু/পরিবারের বাড়িতে থাকেন), রিটার্ন টিকেট প্রমাণ।
  • ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ — বিশেষ করে যদি মেয়াদ বেশি হয় বা আবেদনকারীর ওপর আর্থিক প্রশ্ন থাকে।
  • Traveller’s / Travel Insurance — ২০২৫-এ অনেক ভিসায় চিকিৎসা ও জরুরি খরচ কভার করার জন্য ইনস্যুরেন্স লাগছে।

দুবাই ভিসা বাংলাদেশ ২০২৫

২০২৫-এর আপ-টু-ডেট সতর্কতা, গুজব ও বাস্তবতা

আপনাদের মধ্যে হয়তো আপনি শুনেছেন: “বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য এখন ভিসা কঠিন হয়েছে”, “ভিসা বন্ধ”, “নতুন নিয়ন্ত্রণ” — এসব। আসুন দেখি কি সত্য ও কি গুজব:

  • সম্প্রতি কিছু খবর­­চলেছিল যে UAE গুলি কিছু দেশের নাগরিকদের ভিসা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বন্ধ করেছে। তবে Bangladesh Embassy in UAE (বাংলাদেশ দূতাবাস) জানিয়েছে, এমন কোনো অফিসিয়াল নির্দেশ নেই।
  • অর্থাৎ — ২০২৫ সালের শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশি নাগরিকরা ভিসা আবেদন করতে পারছেন। তবে অনুমোদন হার (approval rate) এবং নিয়ম কঠোরতা একটু বেশি হয়েছে, তাই আবেদন করতে গেলে — আগে থেকেই সব কাগজ প্রস্তুত ও সাবধানে হওয়া জরুরি।
  • আবার, একটি জনপ্রিয় গুজব ছিল — “নতুন ৫ বছরের বা আজীবন ‘গোল্ডেন ভিসা’ মাত্র একবার ফি দিয়ে পাওয়া যাবে”। কিন্তু UAE কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করেছে — এমন কোনো ‘ওয়ান-টাইম পেমেন্টে আজীবন গ্যারান্টি’ দেয়া হয় না।

ধাপে ধাপে — ২০২৫: বাংলাদেশ থেকে দুবাই / UAE ভিসায় আবেদন কেমন হবে

নিচে আমি একটি স্টেপ-বাই-স্টেপ গাইড দিচ্ছি, যাতে আপনি সহজে পরিকল্পনা করতে পারেন:

  1. ভিসার ধরন নির্ধারণ করুন
    — আপনি ভ্রমণ করবেন, বন্ধু/পরিবার দেখবেন, কাজ করবেন — সব অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিন।
  2. ডকুমেন্ট প্রস্তুত করুন
    — পাসপোর্ট, পাসপোর্ট-ফটো, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, হোটেল বা হোস্ট অ্যাড্রেস, ফ্লাইট বুকিং (যদি আছে), ইনস্যুরেন্স (যদি প্রয়োজন হয়) ইত্যাদি।
  3. ভিসা আবেদন করুন — অনলাইন বা অনুমোদিত এজেন্সি থেকে
    — অনেক ভিসা এখন অনলাইনে apply করা যায়; কিছু ক্ষেত্রে Bangladeshi embassy বা travel-agency ব্যবহার করতে হবে।
  4. ভিসা ফি এবং সার্ভিস চার্জ পরিশোধ করুন
    — ফি ব্যাংক / কার্ড বা অন্যান্য অনুমোদিত পেমেন্ট ব্যবস্থায় দিতে হতে পারে।
  5. অপেক্ষা করুন — সাধারণত ৩–৭ কাজের দিন (normal processing)
    — কিছু ক্ষেত্রে urgent / express অপশন থাকলে দ্রুত হবে।
  6. ভিসা মঞ্জুর হলে — ই-ভিসা বা পাসপোর্ট স্ট্যাম্প সংগ্রহ করুন
  7. যাত্রার আগে সুষ্ঠু প্রস্তুতি
    — ফ্লাইট, হোটেল বা হোস্ট ঠিকানা, রিটার্ন টিকেট, প্রিন্টেড ভিসা, ইনস্যুরেন্স পেপার, ব্যাংক স্টেটমেন্ট (যদি প্রয়োজন হয়) সঙ্গে রাখুন।

প্র্যাক্টিক্যাল টিপস (আমার অভিজ্ঞতা + রিয়েল-লাইফ কথা)

  • যদি আপনি প্রথমবার যাচ্ছেন — সব ডকুমেন্ট সাবধানে স্ক্যান করে রাখুন। কম-রেজোলিউশনের ছবি বা মিসিং ডাটা ভিসা রিজেকশনের কারণ হতে পারে।
  • ব্যাংক স্টেটমেন্ট যদি দেখায় যে আপনি নিয়মিত অর্থ পাঠান বা পেমেন্ট পান — সেটা সাজানোর থেকে (হঠাৎ একটি বড় আমানত) ভাল। কারণ ব্যাংক যদি দেখায় “প্রচুর হঠাৎ জমা” — সেটা সন্দেহজনক হতে পারে।
  • হোটেল/হোস্ট অ্যাড্রেস, রিটার্ন টিকেট — থাকলে ভিসা পাওয়া সহজ। আর যদি আপনি ব্যক্তিগতভাবে যাচ্ছেন (ভালোভাবে পরিকল্পনা না থাকে) — তাহলে ভিসা অফিস বেশি প্রশ্ন করতে পারে।
  • ভিসা মঞ্জুর হলেও — কোনোভাবেই কাজ শুরু করবেন না যদি আপনি শুধুই ভিজিট বা পর্যটন ভিসায় গেছেন। পর্যটন/visit ভিসায় কাজ করা আইনত ভুল এবং শাস্তিযোগ্য।
  • সবসময় ভিসা স্ক্রিনশট + পাসপোর্ট সঙ্গে রাখুন — যাত্রার সময় বা মাঝে কখনো Immigration বা Airline শোয় করতে পারে।

কেন ভিসা মঞ্জুর হয় না — সাধারণ যে কারণগুলো দেখা যায়

ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান (Reject) বা Delay হওয়ার পেছনে সাধারণ কারণগুলো:

  • ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য / নথি — পাসপোর্ট মেয়াদ শেষ, ছবি ভুল, flight বা hotel booking প্রমাণ নাই ইত্যাদি।
  • আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ ঠিক না থাকা — ব্যাংক স্টেটমেন্ট খারাপ, অস্বাভাবিক আমানত, inconsistent history।
  • ভিসা টাইপের সঙ্গে mismatch — যেমন ভিজিট ভিসায় কাজ বা দীর্ঘ সময় থাকা।
  • অসমান/সন্দেহজনক travel history, বা অতীতে ভিসা রুল ভঙ্গ / overstay history থাকলে।
  • সময় ঠিক না থাকা — যেমন application date খুব কাছের, অথবা flight date-র আগে ভিসা পাওয়া যায়নি।

কাজ বা রেসিডেন্স ভিসা: বাংলাদেশীর জন্য কি সুযোগ আছে ২০২৫-এ?

ভিজিট ভিসা ছাড়াও, যারা কাজের Visa / Employment Visa / Resident Visa চান — কিছু বিষয় মাথায় রাখবেন:

  • Work / Employment Visa সাধারণত Sponsorship ভিত্তিক — কাজ দেবে এমন কোম্পানি বা নিয়োগকারীকে আপনাকে স্পন্সর করতে হবে।
  • আপনি না হলে, আপনি নিজে Work Visa পেতে পারবেন না। Tourist / Visit ভিসা থেকে সরাসরি কাজ শুরু করলে আইনত শাস্তি পেতে পারেন।
  • বর্তমানে কোনও সাধারণ “৫ বছরের Multiple-Entry Tourist/Visit Visa” or “গোল্ডেন/Residency Visa” सिर्फ ফি দিয়ে পাওয়া যায় — এমন গুজব আছে, কিন্তু অফিসিয়ালভাবে নিশ্চিত না।
  • কাজের ক্ষেত্রে, কোম্পানি / নিয়োগকারী সাধারণত ভিসা + লেবার কার্ড + অন্যান্য কারিগরি ও বৈধ পেপার মিলিয়ে দেয়; আপনার নিজের দায়বদ্ধতা আছে — ফেক এজেন্সি বা প্রতারণা থেকে সাবধান থাকুন।

দুবাই ভিসা বাংলাদেশ ২০২৫

সারসংক্ষেপ: ২০২৫-এ বাংলাদেশ থেকে দুবাই / UAE ভিসার জন্য আপনার করণীয়

  • হ্যাঁ — এখনো বাংলাদেশি নাগরিকরা ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন। তবে নিয়ম বেশি সাবধানে মানতে হবে
  • Tourist / Visit / Short-term ভিসা (৩০-৬০ দিন) সবচেয়ে সহজ এবং জনপ্রিয়।
  • আবেদন করার আগে ভালোভাবে পরিকল্পনা, সব কাগজ প্রস্তুত, টিকেট/হোটেল/অর্থ প্রমাণ ঠিক রাখুন।
  • কোম্পানি স্পন্সর বা নিয়োগ পেলে Work / Employment Visa পেতে পারবেন; ভিজিট ভিসা থেকে সরাসরি কাজ শুরু করবেন না।
  • অফিসিয়াল উৎস, কমিশন বা অনুমোদিত এজেন্সি থেকে ভিসার তথ্য চেক করুন; গুজব-ভিত্তিক বিজ্ঞাপন বা প্রতিশ্রুতি (যেমন “গোল্ডেন ভিসা গ্যারান্টি”) এড়িয়ে চলুন।

উপসংহার

২০২৫ সালের প্রেক্ষাপটে — যদিও ভিসা প্রক্রিয়া কিছুটা কঠিন এবং সাবধানে কাজ করতে হয় — কিন্তু যদি আপনি ভালোভাবে পরিকল্পনা করে সব তথ্য প্রস্তুত করেন, তাহলে বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে দুবাই বা UAE-তে ভ্রমণ, কাজ বা অভিবাসন — সবই সম্ভব।

ভিসা হলো কেবল প্রথম ধাপ। সাফল্যের জন্য প্রয়োজন সতর্কতা, সফল আবেদন, এবং আইন মেনে চলা।

আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য সহায়ক হয়েছে।

📌 FAQ — Dubai/UAE Visa for Bangladeshis (2025 Updated)

1) ২০২৫ সালে বাংলাদেশীরা কোন কোন ইউএই ভিসা পেতে পারে?

২০২৫ সালে বাংলাদেশী ভ্রমণকারীরা নিচের ভিসাগুলো পেতে পারে:

  • Tourist Visa (30 days / 60 days)
  • Transit Visa (48 hours / 96 hours)
  • Job Visa (Employment Entry Permit)
  • Green Visa (5-year residency – skilled professionals)
  • Freelancer Visa / Remote Work Visa
  • Golden Visa (10-year residency)
  • Family Visa (Spouse/Parents/Children)

2) দুবাই টুরিস্ট ভিসার খরচ কত?

এজেন্সি ভেদে কিছুটা ভিন্ন হতে পারে। সাধারণত:

  • 30-Day Tourist Visa: প্রায় 7,000–12,000 BDT
  • 60-Day Tourist Visa: প্রায় 12,000–18,000 BDT

নোট: বিমান টিকিট, ইনস্যুরেন্স ইত্যাদি আলাদা।


3) দুবাই ভিসা কতদিনে পাওয়া যায়?

সাধারণত ৩–৭ কর্মদিবস লাগে।
Express processing চাইলে ২৪–৪৮ ঘন্টার মধ্যেও পাওয়া যায়।


4) দুবাই ভিসা আবেদন করতে কোন কোন ডকুমেন্ট লাগে?

সাধারণত প্রয়োজন হয়:

  • বৈধ বাংলাদেশী পাসপোর্ট (কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদ)
  • পাসপোর্ট সাইজ ছবি (সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড)
  • NID বা Birth Certificate
  • Return air ticket
  • Hotel booking বা sponsor details
  • Bank Statement (কিছু ক্ষেত্রে)

5) ব্যাংক স্টেটমেন্ট কি বাধ্যতামূলক?

টুরিস্ট ভিসায় সবসময় নয়, কিন্তু কখনো কখনো
Travel Purpose যাচাই করতে চাওয়া হতে পারে।
Job/Family/Green Visa-র ক্ষেত্রে অবশ্যই লাগে।


6) দুবাই ভিসা রিজেক্ট হওয়ার সাধারণ কারণ কী?

সবচেয়ে কমন কারণগুলো হলো:

  • নাম/পাসপোর্ট নম্বর মismatch
  • পূর্বের ভিজিটে overstay
  • Sponsor verification ব্যর্থ
  • সন্দেহজনক টিকিট/হোটেল বুকিং
  • অভিবাসন ঝুঁকি (migration risk)

7) রিজেক্ট হলে কি টাকা ফেরত পাওয়া যায়?

না। ভিসা ফি সাধারণত non-refundable


8) নতুন রুল: ২০২৫ সালে কি পরিবর্তন এসেছে?

২০২৫ সালে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আপডেট দেখা যাচ্ছে:

✔ 1) ফাইন/ওভারস্টে নিয়ম কঠোর

ওভারস্টে করলে প্রতিদিন জরিমানা → ৫০–১০০ AED পর্যন্ত হতে পারে।

✔ 2) Enhanced biometric verification

চাকরি ভিসা, পরিবার ভিসা, রেসিডেন্সি ভিসায়
বায়োমেট্রিক প্রক্রিয়া আরও কঠোর।

✔ 3) Health insurance now mandatory (tourist + job)

বিমা ছাড়া টুরিস্ট ভিসা approve নাও হতে পারে।

✔ 4) Fake visa crackdown

এজেন্সির ভুল বা জাল Sponsorship পেলেই
ভিসা বাতিল হওয়ার রিস্ক বেশি।


9) Job Visa (Employment Visa) পেতে কী করতে হয়?

এটি সাধারণত নিয়োগদাতা (company) arrange করে থাকে:

  1. Offer letter
  2. Entry permit approval
  3. Medical + Biometrics
  4. Emirates ID
  5. Residency stamping

10) দুবাই ভিসা কি নিজে নিজে আবেদন করা যায়?

টুরিস্ট ভিসা সাধারণত ইউএই স্পনসর ছাড়া
নিজে নিজে আবেদন করা যায় না।
এজেন্সি বা দুবাই-ভিত্তিক ট্রাভেল পার্টনার লাগে।


11) দুবাই যাওয়ার জন্য Return Ticket কি বাধ্যতামূলক?

হ্যাঁ। ON ARRIVAL বা BOARDING–এর সময়
রিটার্ন টিকিট ছাড়া প্রবেশ অনুমতি নাও দেওয়া হতে পারে।


12) ভিসা করলে ঢোকার নিশ্চয়তা কি থাকে?

না — ইমিগ্রেশন Officer চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়।
ভুল তথ্য দিলে প্রবেশ নিষিদ্ধ হতে পারে।


13) কোন ভিসায় গেলে চাকরি খোঁজা যাবে?

  • Job Seeker Visa (single-entry)
  • অথবা Tourist Visa → তারপর Job Change,
    যদিও এটি ঝুঁকিপূর্ণ এবং সঠিক আইনি পথ ব্যবহার না করলে সমস্যায় পড়তে পারেন।

14) হোটেল বুকিং কি আসল লাগবে?

সাধারণত verifiable booking লাগবে।
Fake booking দিলে ভিসা ব্লক হয়ে যায়।


15) দুবাইতে যাওয়ার জন্য ভ্রমণ ইনস্যুরেন্স লাগবে?

হ্যাঁ, ২০২৪–২৫ সালে বেশিরভাগ টুরিস্ট ভিসায়
Travel Insurance mandatory হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *